দিনটি ছিল ৩০ শে ডিসেম্বর, স্বাধীন ভারতবর্ষে ১৯৭০ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক গোপাল চন্দ্র সেন মহাশয়কে দেশদ্রোহী নকশাল বামপন্থী রাণা বসু প্রকাশ্য দিবালোকে ক্যাম্পাসে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পাশে ঝিলপাড়ের রাস্তায় ছুরি মেরে হত্যা করেছিল। বিচার মেলেনি। দোষীকে তার ধনপতি বাপ ডাক্তার এবং জ্যোতি বসু বিদেশ পালানোর জন্য সাহায্য করেছিলেন। একজন সিপিএম সমর্থক শিক্ষকও আজ পর্যন্ত ন্যায় বিচার চাননি।
২০১৬ সালে "বুদ্ধা ইন এ ট্রাফিক জ্যাম" সিনেমা প্রদর্শনের উপর হামলা চালিয়ে ছিল বামপন্থী নকশালরা। চিত্র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীকে থুতু বর্ষণ করে বিতাড়িত করেছিল নকশালরা। আমন্ত্রিত অতিথি ও এবিভিপির উপর চলে আক্রমণ। চলচ্চিত্র প্রদর্শনে বিশেষ বাধা কোন অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশ ছিল?
২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের এক মহিলা নেতৃত্বের মিথ্যা শ্লীলতাহানির অভিযোগে কালোরব নামক আন্দোলন হয়েছিল। নকশাল ডিএসএফ, এসএফআই, ক্যাম্পাসে মা দুর্গার বিকৃত ছবি এঁকে গোটা হিন্দু সমাজকে কলুষিত করেছিল। তবে শ্লীলতাহানির মিথ্যা অভিযোগের তদন্তে আইসিসি সাফ জানিয়েছিল সম্পূর্ণ অভিযোগ ভুয়ো ছিল। যদিও জুটা সেই দিনও ভস্মে ঘি ঢালার কাজ করেছিল।
২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এবিভিপির উপর হামলা হয়েছিল। ছাত্রছাত্রীদের জীবন বাঁচাতে তৎকালীন রাজ্যপাল আচার্য জগদীপ ধনকড়কে ছুটে যেতে হয়েছিল। তৎকালীন জুটার সম্পাদক ও সভাপতির ভূমিকা ছিল অপ্রীতিকর। সিপিএমের হারমাদ এসএফআইকে বাঁচাতে প্রকাশ্যে পথে নেমেছিলেন। ছাত্রদের বিপথে পরিচালিত করতে কিছু দাগি শিক্ষক সর্বদা সজাগ।
২০১৯ সালেই সুবর্ণ জয়ন্তীতে ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের এক কুখ্যাত বাম অধ্যাপিকা প্রকাশ্যেই "রাম কা নাম" ডকুমেন্টারি দেখান। উল্লেখ্য সেই সময় সুপ্রীম কোর্টে রাম মন্দির মামলার শুনানি চলছিল। নকশালদের হিন্দু বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত জেহাদী তোষণকেই দেখা যায়। বামেরা হিজবুল্লা, হামাস, পেলেস্টাইনের জন্য কান্না করেন কারণ ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম রাষ্ট্র তারা। অথচ মুর্শিদাবাদ বা বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে চুপ। মুখে রা পর্যন্ত নেই। বামপন্থীরা রেডিক্যাল ইসলামকে পূর্ণ সমর্থন করেন। মোল্লাতন্ত্র কলা বিভাগে চরম স্তরে। নেপথ্য কয়েকজন বাম আমলের কুখ্যাত দুষ্কৃতী রয়েছেন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ক্যাম্পাসে রাম নবমীর পুজো করার অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। পাল্টা এবিভিপির শ্রী রাম পুজোতে হামলা করেছিল নকশাল মাওবাদীরা। জুটার ফাঁকিবাজ শিক্ষকরা বরাবর ক্যাম্পাসে ছাত্রদের মারামারি করার জন্য লেলিয়ে দিয়ে থাকেন। আদপাকা গোঁফ নিয়ে ন্যাতাগিরি করেন।
গত কয়েক বছরে ছাত্র নির্যাতন, অসুরক্ষিত ক্যাম্পাস স্বপ্নদীপকে হত্যার পিছনে একমাত্র দায়ী এসএফআই ও ডিএসএফ। নকশাল আর সিপিএমের হার্মাদরা এই জঘন্য কাজ করে নিজেরাই ক্যাম্পাসের হাওয়া গরম করেছিল। বাংলা বিভাগের কিছু দায়িত্বশীল শিক্ষক এই মৃত্যুর আগে পরে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। তদন্ত কিছুই হয় নি। পরে আবার তারাই দোষীদের আড়াল করতে রুদালি হয়েছেন। বামপন্থা কতটা মানুষ খেকো আর রক্ত খেকো তা যাদবপুরকে দেখলেই বোঝা যায়। যাদের নামকারণ অকারণেই খ্যাত।
২০২৬ সালে পিএইচডি দুর্নীতিতে রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স এবং উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে তোলা তুলে দিতেন । নিজেদের কুকর্মকে জুটার সহযোগিতা নিয়ে ধামাচাপা দিতে চেয়েছেন। আর তাই দুর্নীতির ইস্যুকে ঘোরাতে প্রতীক ভাঙ্গার নাটক শুরু করেছেন সেলিম বক্সের বিশেষ কলিগ ।
যাদবপুরের সবটাই বিশেষ বিভাগ থেকে পরিচালিত হচ্ছে। কিছু খ্যাত অখ্যাত উপাচার্য হলেন--
উপাচার্য প্রদীপ নারায়ণ ঘোষ
সহ উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত
উপাচার্য শৌভিক ভট্টাচার্য
উপাচার্য সুরঞ্জন দাস
উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী
সহ উপাচার্য প্রদীপ কুমার ঘোষ
সহ উপাচার্য সম্যন্তক দাস
উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য
এদের মধ্যে সবচেয়ে বদমাইশি করেছেন ডক্টর সুরঞ্জন দাস। সিপিএম আমলে ও তৃণমূল আমলে সাপ আর ব্যাঙ দুটো প্রাণীর গালেই চুমু দিয়ে গিয়েছেন। যাদবপুরকে সবথেকে আরও কলুষিত করেছে জুটা (JUTA)। ডক্টর দাসের পর প্রবল সুযোগ সন্ধানী চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। উপাচার্য আর রেজিস্ট্রার দুটোই দুর্নীতি পরায়ন, পদত্যাগ চাই।
আমরা প্রাক্তনীরা শুধু প্রশাসনের বদল চাই না ওখানকার চিনা ভাইরাসের সমাপতন চাই।
সুমন চন্দ্র দাস
২৩/০৮/২০২৬
#jadavpuruniversity #jadavur #left #abvp
বন্দেমাতরম্
ভারত মাতা কি জয়