এসএফআই-এর ‘রান্নাঘর’ কোথায়?

Suman Chandra 25 August, 2026
এসএফআই-এর ‘রান্নাঘর’ কোথায়?

প্রথমটা যাদবপুরের ওপেন আর্ট থিয়েটারের দেওয়ালের ছবি। দ্বিতীয়টা ২০১৯ সালে ডিসেম্বরের সমাবর্তনের পোস্ট। 

বাম আর অতিবামকে কেন দেশদ্রোহী বলা হয় তার উদাহরণ এখানে স্পষ্ট। 

বুলেটের রাজনীতি যেখানে শুরু হয় সেখানে গণতন্ত্র চলে না। তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে সমাবর্তনে ঢুকতে দেয়নি সুরঞ্জন দাস। তাঁর পিছনে লুকিয়ে লুকিয়ে কাজ করতেন বর্তমান উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। প্রেক্ষাপট ছিল এবিভিপির উপর আক্রমণের জন্য সুরঞ্জন দাসকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন ধনকড় মহাশয়। এটাই বামেদের কষ্ট।

উল্লেখ্য রাস্তায় পথ অবরোধ আর কালো পতাকা নিয়ে এসএফআই আর টিএমসি ছিল। আর পিছন থেকে শিক্ষক সংগঠনের হার্মাদরা কলকাঠি নাড়ছিলেন।‌ রাজু, কাফি, পার্থদের ভূমিকা ছিল বিশেষ। যাদবপুরের সিপিএম ও এসএফআই-এর আঁতুর ঘর বাংলা বিভাগ। বিভাগের কয়েকজন অ্যাকাডেমিক মাফিয়ারা দৌরাত্ম্য চালান। 

মাননীয় শিক্ষকরা গত ৩৪ এবং ১৫ বছর ধরে বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রত্যেক বিষয়ের প্রভাব বিস্তার করে বসে আছেন। থ্রেট কালচার দিয়ে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে পড়তে আসা ছেলে মেয়েদের জোর করে এসএফআই করতে বাধ্য করতেন।‌ আর না করলে স্বপ্নদীপের মতো পরিণতি হতো।

এই কাজ আর্টস ফেকালটিতে সুচারু ভাবে করেন মান্য বরেষু শিক্ষক রাজ্যেশ্বর সিনহা এবং আব্দুল কাফি মহাশয়। পাল বাজারে বিশেষ পলিটব্যুরো চালান পালা করে। বাংলা বিভাগ হল ছোট আলিমুদ্দিন। এখানে বামপন্থা আর দেশবিরোধীতার চাষ হয় । আরো অনেকে থাকলেও আসল মাথা স্যার আব্দুল কাফি। 

সিপিএমকরা নেতাদের ছেলে মেয়েদের মুক্ত মনার প্রশ্নের ফাঁকে প্রবেশিকায় কারচুপি করে ভর্তি নেন। 

এরপর বিএ থেকে পিএইচডি এমনকি কলেজ সার্ভিস কমিশনকে প্রভাবিত করে চিরকুটে চাকরি করে দেওয়ার কাজও করেন। 

আরো অনেক শিক্ষকরা থ্রেট কালচারে যুক্ত। উপযুক্ত তদন্তের প্রয়োজন। বাংলা বিভাগে ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে রেডিক্যাল ইসলামকে প্রচার প্রসার করা হয় । গবেষণার আড়ালে বিকৃত ইতিহাস চর্চার পরিসর গড়ে তোলা হয়েছে।

সব কিছুর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন

ঘুঘুর বাসা ভাঙ্গা প্রয়োজন। 

 

সুমন চন্দ্র দাস 

২৪/০৮/২০২৬

#jadavpurnews #JadavpurUniversity #left #departmetofbengali

← হোম পেজে ফিরে যান