তোষণের রাজনীতি, কীভাবে শাসকের মদতে শিক্ষায় ইসলামীকরণ হচ্ছে?

ABVP 22 March, 2026
তোষণের রাজনীতি, কীভাবে শাসকের মদতে শিক্ষায় ইসলামীকরণ হচ্ছে?

 

তোষণ নীতি হলো একটি বিশেষ ধরনের কূটনৈতিক কৌশল যেখানে সংঘাত বা যুদ্ধ এড়ানোর জন্য কোন আগ্রাসী শক্তির অন্যাজ্য দাবি মেনে নেওয়া হয়। মূলত শান্তিরক্ষার আশায় কোন আক্রমণাত্মক ক্ষকে প্রসন্ন করার অপচেষ্টা করা হয়ভারতে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বামপন্থীরা ভোটের রাজনীতি করতে মুসলিম তোষণ করে। কারণ সকলেই শাসন নয় ক্ষমতা চায়। তাই মুসলিমভোট ঢাল করে রাজনীতি করে।

বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতিতে তোষণ নীতিকে একটি বিতর্কিত বিষয়পশ্চিমবঙ্গ সরকার মুসলিম তোষণ নীতির ফলে ধর্মীয় বিদ্বেষ তৈরি করছেফলে জিহাদীদের পশ্চিমবঙ্গ দখলের অপচেষ্টা বেড়ে চলেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে কট্টর মৌলবাদকে পরোক্ষভাবে তোষণ চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য ভারতে মুসলিমরা তোষণের সুবিধা পেলেও বাংলাদেশে হিন্দুরা তার সিকি ভাগও পান না।

ভারতীয় সংস্কার সংস্কৃতি আমাদের ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় শান্তি সম্প্রীতির কথা। কিন্তু তোষণ আর আগ্রাসনকে প্রশ্রয় দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি করেছেন মমতা। ভবিষ্যতে আরো ভয়াবহ সংঘাত আসার বার্তাকেই বহন করে। ২০১১ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  মুসলমান তোষণে এতটাই জোর দিয়েছেন যে ওবিসি সম্প্রদায়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে দিয়েছেন। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের আর সংখ্যালঘু বলা ভুল হবে। দ্বিতীয় সংখ্যা গরিষ্ঠ বলতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ হিন্দুরাই আজ সংখ্যালঘু।

মমতার মুসলমান তোষণের কিছু নমুনা কেমন আসুন একবার দেখে নিই-

১. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মুখেই বড় বড় করে বলেন "আমরা সব দল সব ধর্মের সব মানুষের জন্য কাজ করব।" কিন্তু যখন কাজের সময় আসে তখন লক্ষণীয় যে নিজের কমিটিতে কেবল অধিকাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ অধিকাংশ রাখা হবে। দাওয়াতে ইসলাম, আর জামাতে-ই-উলেমায় হিন্দের সমর্থককের অক্সিজেন দেন।

২.মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুসলিম তোষণ কালে সংখ্যালঘু উন্নয়নের বরাদ্দ কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি নিজেই। তিনি বলেন "সংখ্যালঘু স্কলারশিপ এর দেশের মধ্যে আমরা এক নম্বর।" উচ্চশিক্ষা বিজ্ঞানে বাজেট কম। মাদ্রাসায় বাজেট বেশি।

৩.পশ্চিমবঙ্গের যে সকল মাদ্রাসা সরকারি সাহায্য পায় না তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে তিনি কথা দেন।

৪.মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দ করেছেন পাঁচ হাজার সাতশ তেরো কোটি টাকা। কিন্তু আদিবাসী এলাকাগুলোতে এবং আরো হাজার হাজার স্কুল গুলোতে শিক্ষক নেই। রাজ্যের ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ।

এটা কি শিক্ষানীতি? এটা কি উন্নয়ন? মমতা কি নতুন করে শিক্ষানীতি এবং উন্নয়নের সংজ্ঞা লিখছেন?

বর্তমানে স্কুলগুলিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। শিক্ষার নামে স্পষ্ট পক্ষপাত আর সম্পদের অপব্যবহার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মানুষের ট্যাক্সের টাকা উন্নয়নের জন্য নয় শুধু দুধেল গাইদের ভোট কেনার জন্য ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ইফতার পার্টির আয়োজন করা হচ্ছে আজ কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে। যাদবপুর ইউনিভার্সিটি, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী কলেজ, হলদিয়া মেডিকেল কলেজ সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ইফতার পার্টির অনুমতি রাজ্যের ধর্মীয় মেরুকরণ চলছে। দুধেল গাইদের সন্তুষ্ট রাখতে ভুলে গেছে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এখন ইফতারের আখড়া।

কলমে…পূর্বা হালদার

← হোম পেজে ফিরে যান